প্রতিনিধিঃ জুবায়ের বয়ান
হোটেল মালিকের লিখিত অভিযোগে জানাযায়, ,১। মোঃ সানি (২৫), পিতা-অজ্ঞাত, ২। মোঃ পাভেল (২৬), পিতা- অজ্ঞাত, উভয় সাং-শোলাকিয়া, খানা ও জেলাঃ কিশোরগঞ্জ। গত ০৯/০১/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় কিশোরগঞ্জ মডেল থানাধীন একরামপুর সাকিনস্থ রেস্টুরেন্টে বিবাদীদ্বয় খাওয়া দাওয়া করিয়া খাবারের বিল নিয়া আমার কর্মচারী কাউসার, জাকির ও রবিনদের সাথে তর্কাতর্কি করিয়া এবং তাদেরকে মারধর করিয়া বিল না দিয়া চলিয়া যায়। যাওয়ার সময় বিবাদীরা আমাকেসহ আমার কর্মচারীদেরকে খুন জখমের হুমকি দিয়া চলিয়া যায়। পরবর্তীতে সকাল অনুমান ১১.২০ ঘটিকার সময় কিশোরগঞ্জ মডেল থানাধীন একরামপুর মোড় সাকিনস্থ আমার রেস্টুরেন্টে বিবাদীদ্বয়সহ তাদের সঙ্গীয় আরও অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন গুন্ডা প্রকৃতির লোক পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পূর্ব দ্বন্ধের জের ধরে ধারালো দা, আগ্নেয়াস্ত্র, লোহার রড, হকিস্টিক, লাঠি সোটা এবং দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া আমার দোকানে হামলা করে। বিবাদীদ্বয় তার সঙ্গীয় লোকজন লইয়া আমার দোকানের বিভিন্ন জিনিসপত্র বাইরাইয়া, কুপাইয়া ও ভাংচুর করিয়া প্রায় ২,০০,০০০/-টাকার ক্ষতি সাধন করে। বিবাদীরা আমার ক্যাশ বক্সের রাউন্ডে আসিয়া আমাকে লোহার রড দিয়া আমার সমস্ত শরীরে এলোপাথারি বাইরাইয়া নীলা ফুলা জখম করে। বিবাদীরা আমার কর্মচারীদের লোহার রড দিয়া সমস্ত শরীরে বাইরাইয়া রক্তাক্ত জখম কর। ২নং বিবাদী আমাকে জাবরাইয়া ধরিয়া রাখিলে ১নং বিবাদী আমার গলায় আগ্নেয়াস্ত্র টেকাইয়া আমার ক্যাশ বক্সে রক্ষিত নগদ ৩,২০,০০০/-টাকা নিয়া যায়। বিবাদীদ্বয়সহ অজ্ঞাতনামা লোকজন আমাকে প্রাণে মারিয়া ফেলার চেষ্টা করে।
বিবাদীদ্বয়সহ অজ্ঞাতনামা লোকজন আমাকে মৃত্যুর ভয় দেখাইয়া আমার রেস্টুরেন্ট ভাংচুর করিয়া এবং আমার ক্যাশে রক্ষিত উল্লেখিত টাকা নিয়া যায়। বিবাদীরা যাওয়ার সময় আমাকে ভবিষ্যতে খুন জখম করিবে বলিয়া হুমকি দেয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা প্রতিবাদ করেও কোন ফল হচ্ছে না।
অবশেষে গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে যাহার নং ১০(০৯-০১-২০২৬)।
Leave a Reply