প্রতিনিধিঃ মাখন মিয়া
আমরা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের পেশার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে এবং একজন সৎ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক চট্টগ্রামে কর্মরত এশিয়ান টেলিভিশনের প্রতিনিধি মাজেদুল ইসলামকে হয়রানি করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে এই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং এর নেপথ্যে থাকা কুচক্রী মহলকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
পেশাগত দায়িত্ব পালন ও সংবাদ প্রকাশের জেরে আমাদের সহকর্মী ও এশিয়ান টেলিভিশনের চট্টগ্রাম করেসপন্ডেন্ট জনাব মাজেদুল ইসলাম-এর বিরুদ্ধে গত ১৩/০৩/২০২৫ তারিখে এস আলম ও সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর মোসলেম উদ্দিন কর্তৃক একটি ফৌজদারি মামলা (সি.আর. মামলা নং-৮৭৫/২০২৫, কোতোয়ালী) দায়ের করা হয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে, এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট উদ্যেশ্যপ্রণোদিত ভিত্তিহীন যা মাজেদুল ইসলামের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার জন্য একটি ষড়যন্ত্র মূলক মামলা।
এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সত্যজিৎ বড়ুয়া স্বপ্রণোদিত হয়ে মিথ্যা বানোয়াট প্রতিবেদন দিয়েছেন। তিনি মাজেদুল ইসলামের মোবাইল কললিস্ট এবং সিসিটিভি ফুটেজ গোপন করেছেন। উপরন্তু, তিনি মাজেদুলকে সরাসরি বলেছেন, “আপনি মোসলেম সাহেবের সাথে মিলে গেলে মঙ্গল হবে,” যা প্রমাণ করে যে তদন্ত কর্মকর্তা বাদীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত এবং আনুগত্যের কারণে পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন বলে জানা গেছে।
আমরা মনে করি, মাজেদুল ইসলামের মতো একজন পেশাদার সাংবাদিককে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর কণ্ঠরোধ করার জন্য এই মামলাটি করা হয়েছে। এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর একটি সরাসরি আঘাত।
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) এর পক্ষ থেকে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি:
১. অবিলম্বে সাংবাদিক মাজেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাটি প্রত্যাহার করা হোক।
২. পক্ষপাতমূলক তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
৩. স্বাধীন সাংবাদিকতা ও পেশাদার সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
আমরা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাংবাদিক মাজেদুল ইসলামের পাশে আছি এবং তাঁর ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply