প্রতিনিধিঃ মাহাবুব আলম
রফিকুল ইসলাম রফিক সাহেব একজন মুক্তিযুদ্ধা, মানবজীবনে চলার ক্ষেত্রে এটা উনার জন্য একটা বড় পরিচয়।
উনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল হোসেনপুর উপজেলা শাখার সাবেক দুই দুই বারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে উনি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হয়েছিলেন।
সংগ্রামী কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ৫ আগষ্টের বহুদিন পর আমরা সকলেই জানি উনাকে উনার পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন-যেখানে স্পষ্ট লিখা ছিলো হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির সুপারিশ ক্রমে অব্যাহতি দিয়েছেন।
কি কারণে বা কার কথায় এই অব্যাহতির নাটক সেদিন করেছিলেন তা আমরা দলের তৃণমূলের কর্মীরা জানি না।
এমনকি পরবর্তীতে মনে হয় এটার কোন তদন্তও আপনারা করেননি। এমনকি উনার এই অব্যাহতি কি কারণে,কোন অপরাধে দিয়েছিলেন তাও জানা নেই কারও।
#আমার প্রশ্ন বিশেষ কোন ব্যক্তির স্বার্থ হাসিলের পথকে সহজ করতেই কি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সেদিন?
আপনারা আমাদের থেকে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ ব্যক্তি এটা স্বীকার করছি।
যায় হউক দল যখন ঐক্যের কথা বলছে তখন সেই ঐক্য কে মিলিত করার দায়িত্ব আপনাদের।
আমি ছোট মানুষ আজ একটা কথা ওপেন বলে যাচ্ছি উনার জনপ্রিয়তা হোসেনপুর কোন নেতার থেকে কম নয় বরং বেশীই হবে (কারও মন্তব্য থাকলে এই লাইনের তা বলতে পারেন)।
একটা গুণ আছে উনার উনি নিজে তেল মারে না আবার তেল মারা পছন্দও করেন না।
কোন সুস্পষ্ট অভিযোগ ছাড়া উনাকে এতদিন ধরে দল থেকে দূরে রাখার পরও উনি দল থেকে দূরে থাকেন নি বরং দলের প্রয়োজনে উনার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন দলীয় কাজে থাকার জন্য।
উনার রাজনৈতিক জীবদ্দশায় ধান্ধাবাজি,বাটপারির রাজনীতি করেন নি এবং এগুলো পছন্দও করেননি, উনি সবসময় মাথা উঁচু করে থেকেছেন কারণ উনি বীর যোদ্ধা। আমার পরম সৌভাগ্য যে,এমন একজন মানুষের সাথে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছি যিনি অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করে নি।
প্রিয় নেতৃবৃন্দ দলের স্বার্থে,তৃণমূলের স্বার্থে ধানের শীষের জন্য আপনারা উনার সম্মানের জায়গা টুকু খুব শীগ্রই ফিরিয়ে দিবেন এটা আশা করছি।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
Leave a Reply