1. skbanglatv@skbanglatv.com : Skbangla Tv : Skbangla Tv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
কৃষি লিজের নামে শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ স্টেট অফিসার শফিউল্লাহ তপনের বিরুদ্ধে - Skbanglatv.com
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

কৃষি লিজের নামে শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ স্টেট অফিসার শফিউল্লাহ তপনের বিরুদ্ধে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪২২ Time View
প্রতিনিধিঃ আজাহারুল হক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কৃষি লিজের নামে গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে পুকুরের একাংশ ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু ভরাটের মাধ্যমে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক স্টেট অফিসার এর বিরুদ্ধে।
ওই অভিযুক্ত রেলওয়ে ঢাকা বিভাগের সাবেক স্টেট অফিসার শফিউল্লাহ তপন। তিনি বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত বলে জানাগেছে। রেলওয়ে পুকুরের একাংশে বালু ভারটের মাধ্যমে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের সঙ্গে একজন বিচারপতি ও একাধিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাঁরা তাদের সরকারি পদের অপব্যবহার ও প্রভাব বিস্তার করেই রেলওয়ের জায়গাটি দখলের পায়ঁতারা করছে। এ ঘটনায় একজন বিচারপতির নাম জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়েও বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা সমালোচনা।
অভিযুক্ত সাবেক স্টেট অফিসার শফিউল্লাহ তপন কৃষি লিজের আওতায় ড্রেজার ব্যবহার করে বালু ভরাটের বৈধতা দাবি করলেও, বাস্তবে কৃষি লিজের অজুহাতে সরকারি বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে বাণিজ্যিক ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করা আইনত অবৈধ এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে নিশ্চিত করেছেন বর্তমান স্টেট অফিসার শিমুল কুমার সাহা।
অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ে ঢাকা বিভাগের তৎকালীন স্টেট অফিসার শফিউল্লাহ তপন নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাঁর নিজ সংগঠনের নামে পুকুরের একাংশে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৪০শতাংশ জায়গা কৃষি লিজের অনুমোদন দেন। ওই অনুমোদনের বিষটিও অবগত নন ভৈরবের আই ডব্লিউ অফিস, রেলওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ উঠেছে, শফিউল্লাহ তপন বর্তমানে রেলওয়ে বিভাগে কর্মরত না থাকলেও তাঁর সাবেক কর্মস্থল রেলওয়ের ডিইএন-২ আহসান হাবিবকে ফোন করে মাটি ভরাটের কথা জানিয়ে খেয়াল রাখতে বলেন। পরে ডিইএন-২, আহসান হাবিব তাঁর অধীনস্থ ভৈরবের আইডব্লিউ মোয়াজ্জেম হোসেনকে ফোন করে আগেই নির্দেশনা দেন, যেন মাটি ভরাটস্থলে না যান আই ডব্লিউ। এ বিষয়টি আই ডব্লিউ মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছ থেকে জানাগেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে অস্বীকার করেন ডিইএন-২, আহসান হাবিব।
ভৈরব রেলওয়ের পুকুরের একাংশে ড্রেজার দিয়ে বালু ভরাট করা হচ্ছে—কৃষি লিজের আড়ালে শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জলাশয় হিসেবে পরিচিত এই পুকুরপাড় এলাকার জলাধারণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের কার্যক্রমের ফলে জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি, জলাধারণ ক্ষমতা হ্রাস এবং পরিবেশের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড পুকুরের জলাধারণ, জলপ্রবাহ ও বাস্তুতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ হুমকি বলে মনে করছেন তারা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে রেলওয়ের তৎকালীন স্টেট অফিসার মো. শফিউল্লাহ তপন তাঁর নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে রেলওয়ে পুকুরপাড়ের ২১ শতাংশ জায়গা ভৈরব সরকারি চাকরিজীবী ঐক্য পরিষদের নামে বরাদ্দ দেন। ওই সংগঠনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক তিনি নিজেই। শফিউল্লাহ দাবি করছেন কৃষি লিজের জায়গার পরিমান ৪০ শতাংশ। আশেপাশে অন্যকারো নামে লিজও দেয়া হয়নি। তবে কৃষি লিজের বিষয়টি নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। সংগঠনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাই জানেন না কার নামে লিজ। সংগঠন নাকি কোন ব্যক্তির নামে। তারা বলছেন সাবেক স্টেট অফিসার শফিউল্লাহ বলেজেন লিজ নিয়েছেন, এটাই তারা বিশ্বাস করেছেন। লিজের কাগজপত্র তারা চোখে দেখেননি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, ওই সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ভৈরব পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন, যুগ্ম সম্পাদক শাহে নোওয়াজ, পরিছন্নতা কর্মীদের দায়িত্বে থাকা অফিসার রোকনসহ বেশকিছু পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারী সংগঠনে জড়িত থাকায় তারা জায়গাটি বরাদ্দ নেওয়ার পর পৌরসভার পরিছন্নতাকর্মীদের মাধ্যমে ময়লা আর্বজনা ফেলে জায়গাটি প্রাথমিকভাবে দখলে নেন। স্থানীয়রা বলছেন, কৌশলগত কারণে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দিয়ে ধীরে ধীরে পুকুরপাড়ে ময়লা ফেলা শুরু হয় এবং আর্বজনা দিয়ে জায়গাটি ভরাট হলে, সর্বশেষ চারপাশে বসানো হয় চাটায়ের বেড়া। শুধু তাই নয়, ওই সংগঠনটি ৪০শতাংশ জায়গা কৃষি লিজের দাবি করলেও তারা নিজেদের দখলে নিতে ড্রেজার লাগিয়ে অত্যান্ত দুইশত শতাংশ জায়গা ভরাটের পরিকল্পনা নেয় বলে অভিযোগ উঠে। ডিসেম্বরের শুরুতে ওই জায়গায় ঠিকাদার সেলিম আহমেদ এর ভেকু ব্যবহার করে ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে মাটি ভরাটের ব্যবস্থা করা হয়। এবং ১২ ডিসেম্বর থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভৈরব পৌর শহরের পঞ্চবটী এলাকার ড্রেজার ব্যবসায়ী মামুন মিয়ার ড্রেজারে বালু ভরাট করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা হয়।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক রেলওয়ের বাণিজ্যিক লিজ নেয়া একজন ব্যক্তি জানান, রেলওয়ের আইনমত জায়গা লিজ নিলে কেউ মাটি কাটতেও পারবেনা এবং ভরাটও করতে পারবেনা। তিনি বলেন, প্রথমে কৃষি লিজ নেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে রেলওয়ের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে স্থাপনা তৈরি করে বাণিজিক ব্যবহার শুরু করে। এতে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে। তিনি বলেন, ভৈরব সরকারি চাকরিজীবী ঐক্য পরিষদের নামে কৃষি লিজ নেয়া জায়গাটি বাণিজ্যিক লিজ হলে সরকার রাজস্ব পেতো অত্যান্ত দুইলাখ টাকা। কিন্তু কৃষি লিজে মাত্র ২০ হাজার টাকা রাজস্ব পাবে। ভৈরবে অসংখ্য লিজদাতা কৃষি লিজ নিলেও স্থাপনা তৈরি করে বাণিজ্যিক ব্যবহার করছেন।
গত ৫ ডিসেম্বর মাটি ভরাট কাজের জায়গাটি পরিদর্শন করেন ভৈরব সরকারি চাকরিজীবী ঐক্য পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বাদল, সংগঠনের উপদেষ্টা মণ্ডলির সদস্য হাবিবুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক স্টেট অফিসার শফিউল্লাহ তপন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন, যুগ্ম সম্পাদক শাহে নোওয়াজ, সাংগঠনিক সম্পাদক কলেজ শিক্ষক আলাউদ্দিন আল আজাদসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
তবে সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে রয়েছেন, কর কর্মকর্তা মো: মাসুদ রানা।
গত ১৭ ডিসেম্বর, বুধবার ড্রেজারের মাধ্যমে পুকুরের একাংশে বালু ভরাটের বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে আসলে বিষটি নিয়ে সংশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে কথা বললে তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন। মুলত ১২ ডিসেম্বর থেকে ড্রেজারে বালু ভরাট করা হচ্ছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয়রা।
একটি সূত্র জানায়, রেলওয়ের পুকুরটি রেকর্ড অনুযায়ী জলাশয় (পুকুর/জলাধার) হিসেবে শ্রেণিভুক্ত। রেলওয়ের জমি হওয়ায় লিজ থাকলেও পুকুরপাড়ে এ ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম আইনত বৈধ নয়। কারণ এটি সরাসরি জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ লঙ্ঘন করে। পুকুরপাড়ে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া পরিবেশ ও জনস্বার্থের জন্য বিপজ্জনক। এটি শুধু একটি জলাশয় নয়; বরং এলাকার জলপ্রবাহ ও পরিবেশের জন্যও বড় ধরনের হুমকি।
ভৈরব সরকারি চাকরিজীবী এক্য পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন বলেন, এখনে পৌরসভা ময়লা আবর্জনা ফেলছে এটা সঠিক, তবে এটা আমার ইঞ্জিনিয়ার ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব না। এবিষয়ে ভৈরব সরকারি চাকরিজীবী এক্য পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে কথা বলতে বলেন।
ভৈরব পৌরসভার সচিব মো: ফারুক বলেন, পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীদের মাধ্যমে আর্বজনা ফেলে দখলের পরিবেশ করার বিষয়টি সঠিক নয়। পৌরসভার জায়গা না থাকায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তার ধারে এবং রেলওয়ের বিভিন্ন ডোবায় ময়লা ফেলতে হয়। কিন্তু অনেক আগে কিছু কিছু জায়গার মালিক পরিছন্নতাকর্মীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে ময়লা আর্বজনা কিনে নিয়ে তাদের জায়গায় ফেলতো বলে জানান।
অন্যদিকে অভিযুক্ত ভৈরব সরকারি চাকরিজীবী এক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও রেলওয়ের সাবেক স্টেট অফিসার (সিনিয়র সহকারী সচিব)  শফিউল্লাহ তপন বলেন, পুকুরপাড়ের জায়গাটি কৃষি লিজ নেওয়া হয়েছে। এখানে ৪০ শতাংশ জায়গা রয়েছে। কৃষি লিজ নিয়ে ড্রেজারে মাটি ভরাট করা যাবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো সমস্যা নেই, কৃষি লিজে মাটি ভরাট করা যাবে বলে দাবি করেন।
ভৈরব রেলওয়ের ওসি সাঈদ আহমেদ জানান, ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন রোড সাবেক পলাশ সিনেমা হলের মোড় সংলগ্ন  রেলওয়ে পুকুরে ড্রেজারে বালু ভরাটের মৌখিক অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি আই ডব্লিউকে অবহিত করা হয়েছে। তবে এটি তাঁর অধীনে না হওয়ায় তিনি বেঙ্গল থানাকেও বিষয়টি জানিয়েছেন।
ভৈরবের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেলওয়ের সার্ভেয়ার ফারুক বলেন, রেলওয়ের পুকুরপাড়ে লিজ আছে কি না আমার জানা নেই। কৃষি লিজ নিয়ে পুকুর ভরাট করা যাবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কৃষি লিজ নিয়ে জায়গা ভরাটের কোনো সুযোগ নেই।
ভৈরবের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেলওয়ের কানুনগো ফুরকান বলেন, লিজ আছে কি না সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এ বিষয়ে অন্যদের সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি।
ভৈরব রেলওয়ের আইডব্লিউ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, বিষয়টি ওসি সাহেব আমাকে অবগত করেছেন। ডিইএন-২, আহসান হাবিব স্যার আমাকে বলেছেন, এখানে রেলওয়ের স্টেট অফিসার মাটি ভরাট করবেন। বর্তমান স্টেট অফিসার কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, সাবেক স্টেট অফিসার শফিউল্লাহ তপন তাঁর স্যারকে মাটি ভরাটের কথা বলেছেন। সেখানে যেন না যায় এজন্য স্যার আমাকে নির্দেশনা দেন। আর মুলত এবিষয়টি আমাদের এখতিয়ারেও পড়ে না।
রেলওয়ে বিভাগীয় ইঞ্জিনিয়ার (ডিইএন-২) আহসান হাবিব বলেন, এটা আমাদের এখতিয়ার নাই স্টেট বিভাগের দায়িত্ব। সাবেক স্টেট অফিসার শফিউল্লাহ তপন এর হয়ে তাঁর অধীনস্থ ভৈরবের আই ডব্লিউ মোয়াজ্জেম হোসেনকে ফোন করে ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য নিষেধ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন এবং এবিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি তিনি।
রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় স্টেট অফিসার শিমুল কুমার সাহা বলেন, বিষয়টি শুনেছি। সাংবাদিকরা রাতে আমাকে ফোন করেছিল। ঘটনাস্থলে সার্ভেয়ারকে পাঠানো হয়েছে। কোন ভাবেই কৃষি লিজ নিয়ে মাটি ভরাটের কোন বিধান নেই। ঘটনার সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন দ্রুত ড্রেজারের কাজ বন্ধ করে পুকুরপাড়কে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনুক। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে স্থানীয় পরিবেশ ও জলাধার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনা গেলে এটি শুধু রেলওয়ের সম্পত্তির জন্য নয়, বরং স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বার্থের জন্যও বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনা না হলে এধরণের অপকর্ম নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের পক্ষে সম্ভব হবেনা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2022

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি