1. skbanglatv@skbanglatv.com : Skbangla Tv : Skbangla Tv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
জুলাই অভ্যুত্থান - Skbanglatv.com
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন

জুলাই অভ্যুত্থান

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩২৪ Time View

প্রতিনিধিঃ আজাহারুল হক

গত বছরের এমন দিনে জুলাই বিপ্লবে কটিয়াদীর মোঃ সাইফুল ইসলাম(৩৩) গুলিবিদ্ধ হয়ে এখনো যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ০৩ আগষ্টে গলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। এখন তার জীবন অনেক সংশয়ের পথে রয়েছে।তিনি এখন কোনো কাজ করতে পারছেন না। তিনি গলায় গুলি নিয়ে পড়েছেন বিপাকে। গলায় আটকে যাওয়া গুলি কিভাবে বের করা যায় তা নিয়ে রয়েছেন দুঃচিন্তায়। অর্থনৈতিক সংকট থাকার কারনে গুলি বের করার সামর্থ্যও নেই তার পরিবারের। তিনি উপজেলার সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের নোওবারিয়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে। তার সংসারে স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, বাবা, ভাই ও দাদী রয়েছে ।
এদিকে  গলায় গুলি আটকে থাকার যন্ত্রণা নিয়েই সংসারের হাল ধরতে হচ্ছে তার। অন্যদিকে তার চিকিৎসার ব্যাপারে দুঃচিন্তায় আছেন তিনি।
গুলিবিদ্ধ সাইফুল ইসলাম বলেন  , গত বছরের জুলাই বিপ্লবে  গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস -প্রশ্বাস নিতে পারছিনা। খুব কষ্ট করে খাবার খাওয়া এবং শ্বাস নিতে হচ্ছে। এ জন্য তার গলায় ছিদ্রও করা হয়েছে।  আমার চিকিৎসার জন্য জুলাই ফাউন্ডেশন এবং  ও উপজেলা থেকে ২ লাখ টাকা সরকারী অনুদান পেয়েছি।  কিন্তু তাতে আমার গলার গুলি সরানো যাচ্ছে না। আরো টাকার প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসার জন্য।
তিনি আরো বলেন, সরকারিভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমার নাম আহত জুলাইযোদ্ধা গেজেটে ৬৫৯ নম্বর তালিয়ায় রয়েছে ।
জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ননা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সেদিন সকাল ১০টার দিকে ঢাকার গুলিস্তানে ছাত্র জনতার মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও ছাত্রলীগের এলোপাতাড়ি গুলি যখন আমার গলায় বিদ্ধ হয় তখন আমার মনে হয়েছিল আমি বোধ পৃথিবীতে বেঁচে নেই।  ঠিক সেই মহুর্তে  ঘটনাস্থল থেকে ছাত্র-জনতা আমাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় । গুলি আমার থুতনি দিয়ে ঢুকে গলায় আটকে যায়। পরে গলা থেকে গুলি বের করতে পারেননি ডাক্তাররা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ১৭ দিন চিকিৎসাবস্থায় থেকে আমি গ্রামের বাড়ী ফিরে আসি। আমি তখনকার সময়ে বাসের হেল্পার হিসেবে কাজ করতাম। সেখান থেকে যে আয় করেছিলাম সেটা আমার চিকিৎসা বাবদ খরচ হয়ে গেছে। আমি এখন অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন পার করছি।
তার স্ত্রী হিমা আক্তার বলেন ,  আমার স্বামী ছিল সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। তার কাঁধে এখন পুরো সংসারের দায়িত্ব। সংসারের অন্য কোন  উপার্জন না থাকায় তার চিকিৎসা ও সংসার চালানোই আমার বেগ পেতে হচ্ছে।
তার বাবা জসিম উদ্দিন বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গুলি করে মেরে ফেলতে চেয়েছিল আমার ছেলেকে। আমি অন্তবর্তী নিষিদ্ধ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সুষ্ঠ বিচার কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2022

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি