প্রতিনিধিঃ এনামুল হক
জুলাই আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানের পর কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলা যেন নতুন প্রাণ ফিরে পাচ্ছে।
জনসেবার উজ্জল মানসিকতা ও আন্তরিক নিষ্ঠায় ভৈরবের নির্বাহী অফিসার শবনম শারমিন অল্প সময়েই নাগরিকদের হ্রদয়ে স্হান করে নিয়েছেন। তার কর্মদক্ষতা ও সৌজন্যময় ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে উপজেলার প্রশাসনিক চিএ,ফিরছে আস্থা ও গতিশীলতা।
সাধারণত সরকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সমালোচনার কোলাহল শোনা যায় ঘনঘন।কিন্তু শবনম শারমিন সেই প্রচলিত ধারার বাইরে এক উজ্জল ব্যতিক্রম। স্নিগ্ধ মুচকি হাসিতে ভরা তার আচরণে মানুষ খুজে পায় আশ্বাসের সান্তনা, আর নিষ্ঠাবান কর্মপ্রচেষ্টায় মেলে সেবার স্বস্তি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান এর পর কঠিন সময়ে গত ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে ভৈরবে যোগদানের পর থেকেই সততা, ন্যায়বোধ ও দায়িত্বশীলতার অনন্য সমন্বয়ে কাজ করে যাচ্চেন।
হাসিনা সরকার পতনের পর মাঠ প্রশাসনের বাড়তি চাপ সামলানো, যেখানে ছিল বড় চ্যালেন্জ, সেখানেই তিনি দক্ষ হাতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ,এবং পৌর পরিষদ একাধিক পদের ভারসাম্য রক্ষা করেছেন।পাশাপাশি ইউএনও শবনম শারমিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন দৃঢ়তায়।কাজের এ বহুমাত্রিক চাপ থাকা সও্বেও ভৈরবের সেবার মান যেন দ্রুত নতুন রূপে সঞ্জীবিত হচ্চে।
তার উদ্যোগের তালিকা দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন তিনি,যা জনমনে স্বস্তির আবহ ফিরিয়েছে।জন্ম নিবন্ধনের ভুল সংশোধন ও দ্রুত নিবন্ধন কার্যক্রমে তার আন্তরিক প্রচেষ্টা মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করেছে।
জনসেবায় নিবেদিত প্রাণ এই তরুণ প্রশাসক শবনম শারমিন সম্পর্কে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বলেন এই যাবত কালে শবনম শারমিন মেডামের মত ইউএনও ভৈরবে কখনো আসে নি।
এই ইউএনও অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও ভাল মানুষ। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে যেকোন রাজনৈতিক নেতা যেকোন সমস্যা তিনি মুহুর্তেই সমাধানের চেষ্টা করেন।তিনি প্রতিদিন ইউএনও শবনম শারমিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিরামহীন অফিস করেন যা অতীতে কোন কর্মকর্তা করেন বলে আমার জানা নাই
আমরা ওনার দীর্ঘ হায়াত ও মঙ্গল কামনা করি।
ভৈরবের জনজীবনে প্রশাসনিক সেবার যে নবতর জাগরণ সৃষ্টি হচ্চে, তার অগ্রনায়ক আজ নির্বাহী অফিসার শবনম শারমিন। মানুষ তাই তাকে একবাক্যে বলছে,,প্রশাসনের গর্ব ভৈরবের আলোকবর্তিকা।
Leave a Reply