1. skbanglatv@skbanglatv.com : Skbangla Tv : Skbangla Tv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
হোসেনপুর মডেল স্কুল ও কলেজে পাসের হার ১৪.৩৪%: শিক্ষক দুর্নীতির জের, ভুয়া সনদে পদোন্নতি ও নিয়োগে ক্ষোভ। ​হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ): - Skbanglatv.com
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন

হোসেনপুর মডেল স্কুল ও কলেজে পাসের হার ১৪.৩৪%: শিক্ষক দুর্নীতির জের, ভুয়া সনদে পদোন্নতি ও নিয়োগে ক্ষোভ। ​হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ):

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪১৪ Time View

প্রতিনিধিঃ মাখন মিয়া

কিশোরগঞ্জের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হোসেনপুর মডেল স্কুল ও কলেজের ফলাফল বিপর্যয়ের জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের দুর্নীতি ও ভুয়া সনদ ব্যবহার করে পদোন্নতি-নিয়োগকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। সদ্য প্রকাশিত ফলাফলে স্কুলটির পাসের হার নেমে এসেছে মাত্র ১৪.৩৪ শতাংশে, যা শিক্ষাব্যবস্থার চরম অবক্ষয় এবং প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ অনিয়মকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে।
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, এই চরম ফলাফলের পেছনে প্রধানত কাজ করেছে শিক্ষকদের একাংশের সীমাহীন দুর্নীতি। শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে মনোযোগী না হয়ে বরং নিজেদের আর্থিক সুবিধা ও পদোন্নতির জন্য অবৈধ উপায়ে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
​বিশেষ করে, প্রতিষ্ঠানটির একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘ভুয়া সার্টিফিকেট’ ব্যবহার করে চাকরিতে যোগদান ও পদোন্নতি নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধেও নকল সার্টিফিকেট দিয়ে পদোন্নতি নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। এছাড়া, টাকা নিয়ে ভুয়া সনদের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও ছিল। এমনকি, অদৃশ্য ক্ষমতার জোরে এক জাল সনদধারী শিক্ষকের পরিবারের ৬ জন সদস্যকে এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাইয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
​এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবি, যখন শিক্ষকদের একাংশ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত এবং ভুয়া সনদে নিজেরা চাকরি পাকা করতে ব্যস্ত, তখন শিক্ষার্থীদের মানসম্মত পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে। যোগ্য ও নীতিবান শিক্ষকরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। এই সমস্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণেই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল স্মরণকালের মধ্যে তলানিতে এসে ঠেকেছে।
​শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিভাবক মহলে এখন গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত এই দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতিমুক্ত করে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকারের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
​উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2022

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি