প্রতিনিধিঃ এনামুল হক
অনেকেই প্রশ্ন তোলেন—একজন আলেম হয়ে শায়েখে চরমোনাই এত সম্পদের মালিক কীভাবে হলেন? আসলে যারা এমন প্রশ্ন করেন, তারা হয়তো উনার পারিবারিক ইতিহাস এবং ব্যক্তিগত সফলতার সম্পর্কে জানেন না। জানলে হয়তো এভাবে মিডিয়ায় অপপ্রচার করার সুযোগ খুঁজতেন না।
বহু বছর আগে শায়েখের একটি বক্তব্য শুনেছিলাম, যেখানে তিনি বলেছিলেন—”আমরা সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মগ্রহণ করেছি।” অর্থাৎ, উনারা পারিবারিকভাবেই যথেষ্ট সচ্ছল এবং ঐতিহাসিকভাবেই প্রভাবশালী। উনাদের যা কিছু আছে, তা কেবল বর্তমানের নয়, বরং বংশপরম্পরায় প্রাপ্ত আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত।
একটি সত্য ঘটনা:
কয়েক বছর আগে জনৈক এক মহিলা শতাধিক আলেমের তালিকা তৈরি করে তাদের সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছিলেন। সফল হতে না পেরে তিনি শায়েখে চরমোনাইয়ের সম্পদের হিসাব নিতে একটি তদন্ত দলও পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু শায়েখ স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছিলেন—তিনি সবকিছুর হিসেব দিতে প্রস্তুত। উনার সেই বলিষ্ঠ বক্তব্যের পর সেই কমিটি বা সেই মহিলার আর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে যারা নির্বাচনের মাঠ ঘোলাটে করতে বা জনমত ভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দিতে উনার সম্পদ নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক আলাপ তুলছেন, তাদের জেনে রাখা উচিত:
* শায়েখে চরমোনাই একজন প্রতিষ্ঠিত আলেম: দ্বীনের খেদমতে উনার অবদান সর্বজনবিদিত।
* তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী: হালাল উপায়ে ব্যবসা করে তিনি স্বাবলম্বী।
* তিনি একজন আদর্শিক রাজনীতিবিদ: একটি সুসংগঠিত দলের নায়েবে আমীর হিসেবে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করছেন।
একজন আদর্শিক নেতা এবং সফল মানুষের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অপপ্রচার জাতি কখনোই মেনে নেবে না। আপাতত শায়েখের মূল ফোকাস কেবলই নির্বাচন এবং দেশের মানুষের অধিকার আদায়। মিথ্যা কুৎসা রটিয়ে উনার পথচলা থামানো সম্ভব নয়।
Leave a Reply